বাংলাদেশ একটি অপার সম্ভবনার দেশ। দিনে দিনে আমাদের এই দেশটির বাণিজ্য সম্প্রসারণ হচ্ছে। যার ফলে প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে  সিকিউরিটি এর ইদানিং আমরা দেখতেপাই অনেক তরুণ উদ্যেক্তার উদ্দ্যেগ। প্রতিটি উদ্দ্যেগের সাথে দেখা মিলছে চরমে সফলতা।

যাই হউক এই সব সফলতা যেন মনে না হউক এই সব সফলতা যেন মনে না হয়ে যায়, তোমাদের প্রটেকশন আবশ্যক। ব্যবসা বাণিজ্যিতে আমরা জেনে থাকি অনেক লেনদেনের বিষয় থাকে। আর এই লেন দেন যেন ভাল হয় এর জন্যে দরকার প্রটেকশন আমাদের দেশের প্রচলিত আইনে এই রকম অনেক প্রতিকার ব্যবসায়ীদের জন্য আছে যা সাধারণ মানুষ জানে জানে না।

চলুন ঝটপট যেনে নেই লেনদেন এর বিষয়ের নিয়ম কানুন গুলো।

ধরে নিন আপনি  আপনার ব্যবসার জন্যে ক্রেতা  কে ১,০০,০০০/- এক লক্ষ টাকার মাল বাকী দিলেন। শুধু মুখের কথার কি আপনি রাজি? এই প্রশ্নটার কোন সোজা সাপটা জবাব নেই। যেহেতু আপার প্রটেকশন নির্ভর করবে প্রমাণ উপর।

যাই হোক ব্যবসার জন্যে আপনি যেই ক্রেতা কে এক লক্ষ টাকা বাকী দিলেন সে এখন আপনার টাকা আর ফেরত দিবে না।

এই অবস্থার পূর্বে কি করার উচিৎ ছিল চলুন যেনে  নেই। আপনি তার কাজ থেকে একটি চেক এক লক্ষ টাকা পরিমাণে নিয়ে রাখা উচিৎ ছিল। তবে চেকের তারিখ টা অবশ্যই আপনার সময় দেওয়ার তারিখ টা থাকতে হব। যদি এই নিয়ম অনুসরণ করা যেতে তা হলে থাকত। এর মামলায় খুবই দৃষ্টিশীল।

আপনি চেক টা নিয়ে  যাবেন, যখন চেকটা  বাউন্স হবে খথন ব্যাংকার থেকে একটা ডিসঅনার  স্লীপ চেয়ে রেখে দিবেন।  ভাল একজন উকিলের শরণাপন্ন হবেন। অবশ্যয় যখন চেক টা বাউন্স হবে।

তখনই একটি বেআইনী একটা কার্য সম্পাদিত হলো এবং আপনার ক্রেতা এর জন্য দায়ী এবং এর প্রতিকার বাংলদেশের প্রচলিত আইনের  সেল  ৩৮ এর এ্যাক্ট  এ আছে। এই আইনে বলা আছে বাওর চেক ডিসঅনার হলে সে মামলা করতে পারবে। যে এই চেক টা দিল তার আইন অনুযায়ী  ১ বৎসরের জেল হতে পারে কিংবা পর্যাপ্ত কারণ দর্ষাতে না পারলে টাকার হিসাব তখন করতে পারে।

পরিলক্ষীত করা যেতে পারে যে কোর্ট কিছু বিষয় বস্তু আমলে নিবে চেক ডিসঅনার ধরার ক্ষেত্রে। কোর্ট দেখবে চেক টা কি ৬ মাসের মধ্যে দেওয়া হয়েছিল কি না পাতার পর।

৬ মাসের  পরে যদি দেওয়া হয় তা হলে ক্লেইম আনা যায় না। অর্থ্যাৎ চেক টি  আপনাকে উপযুর্ক্ত সময় প্রেরণ করতে হবে। সময় নিয়ে  বিষেষ সতকর্তা আবশ্যক।

আপনাকে একজন অভীজ্ঞ আইনজীবী দ্বরা নোটিশ পাঠাতে হবে। এই নোটিশ এ অবশ্যই আপনাকে ডিমান্ড করতে হবে বাউন্স এর  ৩০ দিনের মধ্যে যেন  আপনি টাকা ফেরত দেন।  ৩০ দিন অতিবাহিত হবার পর যদি টাকা ফেরত না দেন, তাহলে তার উপরে সিভিল মামলা চালানো যাবে।

মনে রাখবেন সময় এইখানে  অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি স্বরে আপনাকে সময় মত প্রসেস টি চালু রাখতে হবে। অনেক সময় ক্রেতার সাথে সম্পর্ক গভীর হওয়ার কারণে আমরা চেক টিতে কুন্ঠা বোধ করি। ব্যবসা এর প্রসারের কারণে এইটাই স্বাভাবিক। এই ক্ষেত্রে আপনি নরমান সিভিল মামলা করতে পারবেন।

কিন্তু আপনার এই ভুলের জন্য মামলা টা দীর্ঘ দিন চলতে পারে। এই রকম অবস্থায় আপনি আসলে আপনি অবশ্যই প্রমাণ হিসাবে আপনাদের কথোপকোথন এর রেকর্ডিং সোস্যাল মিডিয়ার চ্যাট ব্লগ এ টাকার ব্যাপারে আলোচনা করে প্রমাণ গুলো রেখে দেবেন। আপনার কাজে আসবে।

চেক ডিসঅনার এর মামলা এত অসীম যা আপনাকে অল্প কিছু বাক্যে বোঝানো দায় হবে। কিন্ত ফান্ডামেন্টাল স্টেপস দ্বারা আপনাকে বোঝানো হল আপনার কি করণীয় অথবা কি করতে পারেন।

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Judiciary, Litigation, Advocacy

ঢাকা ল ব্লগ


About

Design a site like this with WordPress.com
শুরু করুন